English যুক্তিতর্ক শব্দদূষণ রোধে প্রয়োজন সামাজিক আন্দোলন ড. বিভূতি ভূষণ মিত্র প্রকাশ: ১৫ মে ২০২৫, ০৮:০২ পিএম ড. বিভূতি ভূষণ মিত্র শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা-২০০৬-এর ২ ধারায় শব্দদূষণের সংজ্ঞা দেওয়া আছে। সংজ্ঞা অনুযায়ী শব্দদূষণ বলতে তফসিল ১ বা ২-এ উল্লিখিত মানমাত্রা অতিক্রমকারী এমন কোনো শব্দ সৃষ্টি বা সঞ্চালন, যা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর বা ক্ষতির সহায়ক আর হর্ন বলতে বোঝাবে উচ্চ শব্দ সৃষ্টিকারী নিউম্যাটিক, হাইড্রোলিক বা মাল্টি টিউনড হর্ন। শব্দ থেকে দূষণ ঘটে মূলত অতিরিক্ত শব্দ থেকে। যেমন- গাড়ির শব্দ, হর্নের শব্দ, ইট ও পাথর ভাঙার শব্দ, মাইক বাজানো থেকেই শব্দদূষণ ঘটতে পারে। এসব শব্দের অধিকাংশই স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক। উচ্চমাত্রার এসব শব্দের কারণে মানুষের হৃৎপিণ্ড ও ধমনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অতিরিক্ত শব্দের কারণে বন্যপ্রাণীদেরও মৃত্যুঝুঁকি বেড়ে যায়। এদের প্রজনন বাধাগ্রস্ত হয়। বন্যপ্রাণী বিশেষ করে পাখিদের পরিব্রাজনের পথ পরিবর্তিত হয়ে যা। এর কারণে শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। দেখা দিতে পারে শারীরিক ও মানসিক সমস্যা। ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। অবসাদ ও স্মৃতিশক্তি হ্রাসসহ নান...
ড. বিভূতি ভূষণ মিত্রের কলাম