সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

মার্চ ২৪, ২০২৪ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

বন সংরক্ষণে উদ্ভাবনী প্রযুক্তি. বিভূতি ভূষণ মিত্র

  বন সংরক্ষণে উদ্ভাবনী প্রযুক্তি  বিভূতিভূষণ মিত্র    প্রকাশ: ২১ মার্চ ২০২৪ | ০২:৩৮ | আপডেট: ২১ মার্চ ২০২৪ | ০২:৩৯ বন ও প্রযুক্তির উদ্ভাবনকে এ বছরের বন দিবসের প্রতিপাদ্য করা হয়েছে। প্রযুক্তি ও নানা উদ্ভাবন এখন বন পর্যবেক্ষণে ভূমিকা রাখছে। পৃথিবীর ফুসফুস নামে পরিচিত এই বন ১৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন টন কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করছে। আবার এও সত্য, প্রায় ৭০ মিলিয়ন হেক্টর বন প্রতিবছর আগুনে পুড়ে যায়। প্রযুক্তিকে এমন পর্যায়ে উন্নীত করা দরকার, যেন তা বনে আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গেই আমাদের সতর্ক করতে পারে। বাংলাদেশে পাহাড়ি বন, ম্যানগ্রোভ বন, উপকূলীয় বন, শালবন, কৃত্রিম বন প্রভৃতি দেখা যায়। পাহাড়ি বন বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম ও সিলেট জেলায় অবস্থিত। বৃহত্তর খুলনা জেলায় অবস্থিত ম্যানগ্রোভ বন। বৃহত্তর পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও ভোলা জেলায় উপকূলীয় বন অবস্থিত। এ ছাড়া বৃহত্তর ঢাকা, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, টাঙ্গাইল, রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর জেলায় শালবন রয়েছে। পাহাড়ি বনের পরিমাণ ১৩ লাখ হেক্টরেরও বেশি। এসব বনে তেলশুর, চিকরাশি, বৈলাম, গামার, বাঁশ, শিল কড়ই প্রভ...