সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৪ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

Sustainable development and ethnobiological practices in Hajong and Chakma community of Bangladesh

Sustainable development and ethnobiological practices in Hajong and Chakma community of Bangladesh Bibhuti Bhushan Mitra Introduction According to United Nations World Commission of Environment and Development, sustainable development means meeting the needs of the present without compromising the ability of future generations to meet their own needs. Ethnobiological practices are totems and taboos, traditional medicines, strong beliefs such as myth, folklores etc .Hajong community lives in Mymensingh, Sherpur districts and chakma in Chittagong district. One community lives in plain land and another in hill area. The paper presents here ethnobiological practices of two communities which are sustainably used. Bangladesh covers an area of 1, 47,570 sq km with a population of 150 million. The total population of indigenous peoples in Bangladesh is approximately 3 million, out of which, 0.85 million live in Chittagong which covers an area of 13,295 sq km and othe...

নির্বিচারে সাপ হত্যা বন্ধ ড. বিভূতি ভূষণ মিত্র

  নির্বিচারে সাপ হত্যা বন্ধ ড. বিভূতি ভূষণ মিত্র ড. বিভূতি ভূষণ মিত্র : সাপ লম্বাটে,পাবিহীন, মাংসাশী সরীসৃপ প্রাণী।  কচ্ছপ বা গিরগিটি যে সরীসৃপ শ্রেণির সাপও তাই। সাপের আদি পুরুষের আবির্ভাব ঘটে ডাইনোসর যুগে। এখন এই শ্রেণিটি এন্টার্কটিকা বাদে পৃথিবীর সব অঞ্চলে পাওয়া যায়।  পৃথিবীতে বিভিন্ন প্রজাতির সাপ রয়েছে।  আমরা যে সাপ দেখলেই মারতে উদ্যত হই, সত্যিকার অর্থে এই বন্যপ্রাণীটি কোন ক্ষতি করে না।  সাধারণত অধিকাংশ বিষাক্ত সাপ উজ্জ্বল বর্ণের হয়। এদের স্বতন্ত্র মাথা থাকে। দেখতে ত্রিকোণাকার। পার্শ্বীয় অংশ প্রশস্ত। বিষহীন সাপ তেমন উজ্জ্বল হয় না। সাধারণত এদের মাথা লম্বাটে ও সংকীর্ণ হয়। বিষহীন সাপের বিষদাঁত থাকে না সাধারণত।  তবে কিছু বিষহীন সাপের থাকে। বিষধর সাপের চোখের মণি দেখতে ডিম্বাকার আর বিষহীন সাপের চোখের মণি গোলাকার হয়। বিষধর সাপের মাথা তিন কোণা অর্থাৎ ত্রিভুজাকার।  একটি তথ্য মতে বাংলাদেশে ১০০ প্রজাতির মত সাপ রয়েছে। এইসব সাপের মধ্যে ৩৭ প্রজাতির সাপ বিষাক্ত। এসবের মধ্যে ১৬ প্রজাতির সাপ সমুদ্রে বাস করে, তিন প্রজাতির কোবরা , ৫ প্রজাতির কেউটে, ২ প্রজাত...

রাসেলস ভাইপার ঠেকাতে হবে বংশ বিস্তার ড. বিভূতি ভূষণ মিত্র

  রাসেলস ভাইপার ঠেকাতে হবে বংশ বিস্তার ড. বিভূতি ভূষণ মিত্র রাসেলস ভাইপার ঠেকাতে হবে বংশ বিস্তার ড. বিভূতি ভূষণ মিত্র প্রকাশ : ২৭ জুন ২০২৪ ১৫:০৬ পিএম  ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম বিষধর সাপের একটি চন্দ্রবোড়া বা রাসেলস ভাইপার। বাংলাদেশে ২০১৩ সাল থেকে এর বিস্তৃতি নজরে পড়ছে। এটি ক্রমেই সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ছে। এর কামড়ে মৃতের সংখ্যাও বাড়ছে। এর কামড়ে ২০১৩ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত দেশের ১৭ জেলায় ২০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। চন্দ্রবোড়ার মাথা চ্যাপ্টা, ত্রিভুজাকার। নাকের ছিদ্র ও চোখ বড়। দেহ মোটাসোটা। পিঠের গায়ের রঙ হলুদ, গাঢ় বাদামি ও কালো বলয়যুক্ত বা অর্ধচন্দ্রের মতো, তিন সারিতে বিভক্ত। পেটের দিকটা সাদা, হলুদ, গোলাপি রঙের। দৈর্ঘ্য সর্বোচ্চ ১.২৪ মিমি। এরা সাধারণত ঘন ঘন স্থান পরিবর্তন করে। বেশিরভাগ সময় খোলা এলাকা, ঝোপঝাড়, বাগান বা কৃষিজমিতে পাওয়া যায়। বাসাবাড়িতে না গেলেও ইঁদুরের সন্ধানে যেতে পারে। কচুরিপানার ওপর শুয়ে রোদ পোহায় বলে ভেসে সহজেই এক স্থান থেকে অন্য স্থানে চলে যেতে পারে। চন্দ্রবোড়া নিশাচর হলেও ঠান্ডা আবহাওয়ায় দিনের বেলায়ও সক্রিয় থাকে। এটি সেকেন্ডের ১৬ ভাগের এক ভাগ সময়ে কামড় দিতে ...

সুন্দরবন অরক্ষিত বন্য প্রাণী ড. বিভূতিভূষণ মিত্র

  সুন্দরবন অরক্ষিত বন্য প্রাণী ড. বিভূতিভূষণ মিত্র প্রকাশ : ০৮ আগস্ট ২০২৪ ১০ :১৪ এএম  ড. বিভূতিভূষণ মিত্র সুন্দরবনের পরিবেশ আগের মতোই থাকবে তো? বেঁচে থাকবে তো বাংলাদেশের গৌরবদীপ্ত-উজ্জ্বল-ক্ষিপ্র-তেজি-রাজসিক রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার? অনেক বিজ্ঞানী অবশ্য বলছেন, আগামী ৫০ বছরে হয়তো বা এ প্রজাতি বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে। কেননা সুন্দরবনের প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা করার ওপর নির্ভর করে বাঘের প্রজনন। সে প্রজননের পরিবেশ টিকিয়ে রাখাই এখন একটা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কেননা একদিকে সুন্দরবনের নিকটবর্তী শিল্পকারখানা গঠন করা হচ্ছে, অনেকটা অপরিকল্পিতভাবে; অন্যদিকে খালে বিষ প্রয়োগ করে ধরা হচ্ছে মাছ। এতে বাস্তুতন্ত্রের ওপর আঘাত হানছে। সুন্দরবেনর আয়তন মোট ১০ হাজার বর্গকিলোমিটার। এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন। এর ৬২ শতাংশ বাংলাদেশে আর ৩৮ শতাংশ ভারতে পড়েছে। এটি পদ্মা, মেঘনা ও ব্রহ্মপুত্র নদের অববাহিকায় অবস্থিত। খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলার কিছু এলাকা এ বনের বাংলাদেশ অংশ। সুন্দরবন ১৯৯২ সালে রামসার এলাকা হিসেবে ঘোষিত হয়। পরে ১৯৯৭ সালে একে বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে ঘোষণা করে ইউনেস্কো। সুন্দরবন ব...

জীবনের প্রয়োজনেই বনের সুরক্ষা জরুরি ড. বিভূতিভূষণ মিত্র

  পরিবেশ-প্রতিবেশ জীবনের প্রয়োজনেই বনের সুরক্ষা জরুরি ড. বিভূতিভূষণ মিত্র প্রকাশ : ২৮ আগস্ট ২০২৪ ০৯:০১ এএম  ড. বিভূতিভূষণ মিত্র রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘সভ্যতার প্রতি’ কবিতায় লিখেছিলেন, দাও ফিরে সে অরণ্য, লও এ নগর,/লও যত লৌহ লোষ্ট্র কাষ্ঠ ও প্রস্তর/হে নবসভ্যতা! হে নিষ্ঠুর সর্বগ্রাসী,/দাও সেই তপোবন পুণ্যচ্ছায়ারাশি’। বনের ওপর মানুষ প্রাচীনকাল থেকেই নানাভাবে নির্ভরশীল। ঘর বানানো, জ্বালানি প্রভৃতি কাজে মানুষ আদি থেকেই বন ব্যবহার করে আসছে। প্রায় ২০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে দ্রাবিড় সভ্যতার বিকাশের সময় বন ব্যবহার সম্পর্কে জানা গেছে। সে সময় তারা গাছ কেটে ঘর বানাত। শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলত। বেদ, পুরাণ, রামায়ণ ও মহাভারতেও বন ও বনায়ন সম্পর্কে জানা যায়। এসব গ্রন্থে শাল, বেল, কিংশুক প্রভৃতির কথা উল্লেখ আছে। সম্রাট অশোক সম্পর্কে জানা যায়, তিনি বন ও বন্য প্রাণী ভালোবাসতেন ও সেসবের খুব যত্ন নিতেন এবং বন সংরক্ষণ করতেন। মুঘলদের আমলে বন সংরক্ষণের কথা তেমন পাওয়া না গেলেও তাদের বন ব্যবহার করার কথা জানা গেছে। তারা সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য বনের গাছ ব্যবহার করত। পরে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ব্যাপক মাত্রায় বন কেটে র...