সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

জুলাই ৭, ২০২৪ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ভূমিক্ষয় ও দূষণ : চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলাদেশ ড. বিভূতি ভূষণ মিত্র

 

জলাবদ্ধতা থেকে বাঁচতে প্রয়োজন পুকুর খনন বিভূতি ভূষণ মিত্র

  উপ-সম্পাদকীয় জলাবদ্ধতা থেকে বাঁচতে প্রয়োজন পুকুর খনন বিভূতি ভূষণ মিত্র শনিবার, ০৬ জুলাই ২০২৪ প্রথমেই বিনয় মজুমদারের কবিতার কয়েকটি লাইন পড়ি আসুন- এবং পুকুরটিও চিন্তাশীল, সৃষ্টিশীল, পুকুরের আনন্দ বেদনা/ পাতা হয়ে ফুল হয়ে ফুটে ওঠে পৃথিবীতে, এই বিশ্বলোকে।/ শাপলার ফুলে ফুলে পাতায় কখনো মিল থাকে, মিল কখনো থাকে না। অথবা জসীম উদ্দীনের একটি কবিতা- পুুরান পুকুর, তব তীরে বসি ভাবিয়া উদাস হই,/ খেজুরের গোড়ে বাঁধা ছোট ছোট ঘাট, করে জল থই থই;/ রাত না পোহাতে গাঁয়ের বধুরা কলসীর কলরবে,/ ঘুম হতে তোমা জাগাইয়া দিত প্রভাতের উৎসবে। গাঁয়ের বধূদের কলসী নিয়ে পুকুরে যাওয়ার দৃশ্য এখন আর চোখে পড়ে না। বিনয় মজুমদারের এই চিন্তাশীল, সৃষ্টিশীল পুকুরেরও এখন দেখা মেলা ভার। ভূমি মন্ত্রণালয়ের এক জরিপ অনুযায়ী বাংলাদেশের জলাভূমি গত ৫০ বছরে ৭০ ভাগ কমে গেছে। ১৯৭১ সালে জলাভূমির পরিমাণ ছিল ৯৩ লাখ হেক্টর। তা কমে এখন হয়েছে ২৮ লাখ হেক্টরে। অর্থাৎ ৬৫ লাখ হেক্টর জলাভূমি কমেছে। শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের দিকে তাকালেও এমন চিত্র চোখে পড়বে। বিশ্বের মোট জলাভূমির প্রায় ৯০ শতাংশ বিলুপ্তি হয়েছে। বাকি জলাশয়গুলোও হুমকির মুখে রয়েছে...

বিদেশি মাছে কী ক্ষতি

  বিদেশি মাছে কী ক্ষতি  ড. বিভূতি ভূষণ মিত্র প্রকাশ : ০৬ জুলাই ২০২৪, ১১:২৮ ড. বিভূতি ভূষণ মিত্রকোনো একটি দেশের নদী তার মাছের জন্য পরিচিতি পায়। কানাডার দার্শনিক মাতশোনা ধলিওয়ায়ো বলেছিলেন এ কথা। বাংলাদেশের নদীগুলোর অসংখ্য দেশীয় মাছ বিলুপ্ত হতে যাচ্ছে দেখে এটা মনে হলো। একটি তথ্যমতে, বাংলাদেশে বিদেশি মাছ আসা শুরু হয় ১৯৫২ সাল থেকে। ১৯৫২ সালে সিঙ্গাপুর থেকে সিয়ামিস গৌরামি মাছ, গোল্ডফিশ ১৯৫৩ সালে পাকিস্তান, তেলাপিয়া ১৯৫৪, গুপ্পি ১৯৫৭ ও লাইলোটিকা ১৯৭৫ সালে থাইল্যান্ড, জাপান থেকে ১৯৭০ সালে গ্রাস কার্প ও সিলভার কার্প, মিরর কার্প ও ব্রিগেড কার্প নেপাল থেকে যথাক্রমে ১৯৭৯ ও ১৯৮১ সালে, সরপুঁটি ও আফ্রিকান মাগুর থাইল্যান্ড থেকে ১৯৮৬ ও ১৯৮৯ সালে নিয়ে আসা হয়। সম্ভবত পিরানহা আনা হয় আমেরিকা থেকে। পিরানহা, আফ্রিকান মাগুর বাংলাদেশে রাক্ষুসে মাছ নামে পরিচিত। এই মাছ বন্যার মাধ্যমে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়লে দেশি জাতের অনেক মাছ খেয়ে ফেলে। এতে দেশি অনেক মাছ বিলুপ্ত হয়ে গেছে। ২৬০ প্রজাতির স্বাদু ও ৪৭৫ প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ এদের কারণে হুমকির মুখে। সাকার মাছ এতটাই বিষাক্ত যে এটি পোলট্রি ফিড তৈরিতেও ব্যবহার ...

শান্তির বসবাস ফিরিয়ে দিতে পারে নগর-বন ড. বিভূতি ভূষণ মিত্র

   শান্তির বসবাস ফিরিয়ে দিতে পারে নগর-বন ড. বিভূতি ভূষণ মিত্র নগর বা শহরের সরকারি বা বেসরকারি যেকোনো জায়গায় যেকোনো ধরনের গাছ নিয়ে নগর-বন সৃষ্টি হয়। এটি হতে পারে রাস্তার দুই ধারে অথবা কোনো জলাশয়ের ধারে অথবা শহরের অন্য কোনো খালি জায়গায়। এর মাধ্যমে নগরে বা শহরে একটি সবুজ ঘন কাঠামো তৈরি হয়। নগরের বাস্তুতন্ত্রকে এটি বিস্তৃত ও সবুজ করে তোলে। শহরের মানুষকে এটি নানাভাবে উপকারও করতে পারে। একটি ভালো ও বৈচিত্র্যময় নগর-বন শহরবাসীর নানা উপকারে আসে। নানা ধরনের নগর-বনের বনজ সম্পদ নানাভাবে মানুষকে উপকৃত করে। নগর-বন একটি ঘন সবুজ বনের কাঠামো দান করে। এর মধ্যে ঘাস, ঘন ঝোপঝাড়ও রয়েছে। পরিকল্পিতভাবে বেড়ে ওঠা নগর-বনের গাছপালা শহরের মানুষের স্বাস্থ্যের নানা উপকারও করে। এটি যেমন তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, ঠিক তেমনি শব্দদূষণ, বন্যা ইত্যাদি থেকে মানুষকে রক্ষা করতে পারে। এ ছাড়া বায়ুদূষণ কার্বনদূষণ প্রতিরোধে কাজ করতে পারে।এসব গাছের নানা রকমের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মূল্যমানও রয়েছে।  নগর-বন নতুন কোনো ধারণা নয়। ১৯৯০ সালে কোরিয়ায় প্রথম নগর-বন ধারণাটি প্রতিষ্ঠা পায়। ২০১৩ সাল থেকে নগরকেন্দ্রিক বনায়ন আ...

গাছের শত্রু-মিত্র ও বিদেশি প্রজাতি ড. বিভূতি ভূষণ মিত্র

পরিবেশ-প্রতিবেশ গাছের শত্রু-মিত্র ও বিদেশি প্রজাতি ড. বিভূতি ভূষণ মিত্র প্রকাশ : ১১ জুন ২০২৪ ০৯:৫৩ এএম  ড. বিভূতি ভূষণ মিত্র ‘অন্ধ ভূমিগর্ভ হতে শুনেছিলে সূর্যের আহ্বান/ প্রাণের প্রথম জাগরণে, তুমি বৃক্ষ, আদি প্রাণ,/ ঊর্ধ্বশীর্ষে উচ্চারিলে আলোকের প্রথম বন্দনা/ ছন্দোহীন পাষাণের বক্ষ-পরে; আনিলে বেদনা/ নিঃসাড় নিষ্ঠুর মরুস্থলে’। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতা বৃক্ষবন্দনার প্রথম দিকের কটি লাইন। শেষদিকটা এমন, ‘তব তেজে তেজীয়মান,/ সজ্জিত তোমার মাল্যে যে মানব, তারি দূত হয়ে/ ওগো মানবের বন্ধু, আজি এই কাব্য-অর্ঘ্য লয়ে/ শ্যামের বাঁশির তানে মুগ্ধ কবি আমি/ অর্পিলাম তোমায় প্রণামী’।   গুগল নিউজে প্রতিদিনের বাংলাদেশ”র খবর পড়তে ফলো করুন  পৃথিবীর একমাত্র অকৃত্রিম বন্ধু বোধ হয় গাছ। মানুষেরও বন্ধু। তবে গাছেদেরও টিকে থাকতে হয়। প্রতিযোগিতা হয়। এই প্রতিযোগিতায় কোনো গাছ টিকে থাকে। কেউ হারিয়ে যায়। পৃথিবীমাতার সন্তান হয়ে মানুষেরও দায়িত্ব নিতে হয়। মানুষ যেমন বৃক্ষ কর্তন করে, তেমনি বৃক্ষ রোপণও করতে হয়। প্রয়োজন হয় বনায়নের। বাংলাদেশে বনায়ন হয়। কিন্তু কখনও কখনও দেখা যায়, যে গাছ দিয়ে বনায়ন করা হয়Ñ সেই গা...