সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

বিপন্ন প্রাণী হত্যা বন্ধ করুন

 

বিপন্ন প্রাণী হত্যা বন্ধ করুন

প্রকাশ: ০৪ মার্চ ২০২৫, ০৪:০৬ পিএম
sharethis sharing button
বিপন্ন প্রাণী হত্যা বন্ধ করুন
ড. বিভূতি ভূষণ মিত্র

কোনো একটা প্রাণীকে মেরে দড়িতে বেঁধে ঝুলিয়ে রাখা যেন আমাদের দেশের একটা স্বাভাবিক দৃশ্য। শুধু তাই নয়, কোনো একটা প্রাণীকে হত্যা করার দৃশ্য যেন একটা খেলার দৃশ্য। অনেক মানুষ দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে তা দেখছে। হাসছে। আর ব্যথায়-যন্ত্রণায় একটা প্রাণী মারা যাচ্ছে। প্রাণীটির চোখ বেয়ে জল ঝরছে। কেউ দেখছে না। প্রাণীটি কান্না করছে। করছে বুকফাটা চিৎকার। কোনো মানুষ দেখছে না। মানুষ উল্লাস করছে। একটি প্রাণী মারা যাচ্ছে আর মানুষ তা দেখে উল্লাসে ফেটে পড়ছে। মেছো বিড়াল, হাতি, বাঘ কেউই এসব হত্যা থেকে রেহাই পায়নি।  

একটি পরিসংখ্যান মতে, ১৭ বছরে বাংলাদেশের মানুষ হাতি হত্যা করেছে ৯০টি। বন বিভাগের তথ্য মতে, ২০০৪ সাল থেকে ১৭ বছর পর্যন্ত হাতি হত্যা করা হয়েছে ১১৮টি। আরেকটি তথ্য অনুযায়ী, হাতি-মানব দ্বন্দ্বে ২৩৬ জন মানুষ মারা গেছে। ২০২১ সালে দেওয়া আইইউসিএনের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে গত ১৭ বছরে ৯০টি হাতি হত্যা করা হয়। এর মধ্যে ২০২০ সালে হত্যা করা হয় ১১টি হাতি। ডব্লিউএফ এবং ইউএন এনভায়রনমেন্ট প্রোগ্রামের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মানুষ-বন্যপ্রাণী দ্বন্দ্ব পৃথিবীর অনেক প্রজাতির টিকে থাকার জন্য এখন হুমকিস্বরূপ। একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, এসবের সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ছে বন্য বিড়াল প্রজাতির ওপর। এদের ওপর প্রভাব ৭৫ শতাংশের বেশি। এ ছাড়া সামুদ্রিক মাংসাশী প্রাণী এবং হাতির ওপরও এসবের ক্ষতিকারক প্রভাবও দেখা যাচ্ছে। সাম্প্রতিক গবেষণা অনুযায়ী এই হাতির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২২৮ থেকে ৩২৭-এ। বাংলাদেশে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার ছাড়াও মানব-হাতি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে শেরপুর, জামালপুর ও ময়মনসিংহের বিভিন্ন জায়গায়।

বাঘ হত্যাও ঘটছে। তথ্য মতে, ২০০১ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত সুন্দরবনে বাঘের মৃত্যু হয় ৫০টির। এর মধ্যে স্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে ১০টির ক্ষেত্রে। স্থানীয়রা ১৪টি বাঘ পিটিয়ে মেরেছে। ২৫টি বাঘ হত্যা করেছে চোরা শিকারিরা।  
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবদ্যিা বিভাগ পরিচালিত একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, ২০১৬ সাল থেকে প্রতি ১৫ দিনে একবার করে মেছো বিড়াল ও মানুষের মধ্যে সংঘাতের ঘটনা ঘটেছে। এসবের মধ্যে প্রায় ৫০ ভাগ ঘটনা ঘটেছে মেছো বিড়ালের প্রতি প্রতিশোধমূলক আচরণ থেকে। ২৫ ভাগের মতো ঘটনা ঘটেছে হাঁস-মুরগি খাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে। ১০ শতাংশ গাড়ি দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে।  এ ছাড়া ২০ ভাগ ঘটনায় ফাঁদ পাতার বিষয়টি দেখা গেছে। সমীক্ষাটি করা হয় ২০০৫ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত যেসব সংঘাতের খবর পত্রিকায় এসেছে সেসবের তথ্য বিশ্লেষণ করে। ৩৬১টি ঘটনায় ৫৬৪টি মেছো বিড়ালের সঙ্গে সংঘাতের ঘটনা ঘটেছে। মেছো বিড়ালগুলোর মধ্যে ৩৯৫টি ছিল পূর্ণ বয়স্ক আর ১৭০টি অপ্রাপ্তবয়স্ক। এসব ঘটনায় মারা পড়েছিল ১৬০টি মেছো বিড়াল। সমীক্ষায় দেখা যায়, বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব, উত্তর-পশ্চিম, দক্ষিণ-পশ্চিম এলাকায় বেশি সংঘাতের ঘটনা ঘটেছে। এতে ঢাকা, ময়মনসিংহ, বরিশাল ও খুলনা বিভাগে মেছো বিড়ালের উপস্থিতি বেশি বলে দেখানো হয়। ২০১২ সালে শুধু ঝিনাইদহ জেলাতেই ২২টি বিপন্ন প্রজাতির মেছো বিড়াল হত্যা করা হয়েছে। তবে এর উল্টাটাও দেখা গেছে। ২০২০ সালের জুলাই থেকে ২০২১ সালের জুন পর্যন্ত ৬৬টি মেছো বিড়ালের মধ্যে ৩১টি মেছো বিড়ালের বাচ্চাকে তাদের মায়ের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। 

শুধু হত্যা নয়, পাচারের ঘটনাও ঘটছে। একটি তথ্য মতে, ২০১২ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ৫০ হাজারেরও বেশি বন্যপ্রাণী উদ্ধার করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পাচারের সময় যে পরিমাণ বন্যপ্রাণী উদ্ধার করা হয়েছে, তা মোট পাচারের কয়েক শতাংশ মাত্র। পাচারের সময় উদ্ধার হওয়া প্রাণীদের মধ্যে বাঘ, সিংহ, কুমিরসহ ৩৫ প্রকারের বিভিন্ন প্রাণী ছিল। এসবের মধ্যে পাখিও ছিল।  

অথচ দেশ থেকে ২০০ বছরে বিলুপ্ত হয়েছে ৩ শতাধিক প্রজাতি। এর মধ্যে ১৫০ প্রজাতির বন্যপ্রাণী, ১৩ প্রজাতির মেরুদণ্ডী প্রাণী, ৪৭ প্রজাতির পাখি, ৮ প্রজাতির উভচর, ৬৩ প্রজাতির সরীসৃপ ইত্যাদি। আইইউসিএনের তথ্য মতে, বাংলাদেশের বিপন্ন প্রজাতির সংখ্যা ১ হাজার ৬১৯টি। এর মধ্যে অতিবিপন্ন প্রজাতির সংখ্যা ৫৬টি, বিপন্ন প্রজাতির সংখ্যা ১৮১টি, সংকটাপন্ন প্রজাতির সংখ্যা ১৫৩টি। ৩১টি প্রজাতি সম্পূর্ণরূপে বিলুপ্ত হয়েছে। বিলুপ্ত প্রজাতির মধ্যে ১১টি স্তন্যপায়ী, ১৯টি পাখি ও একটি সরীসৃপ প্রজাতির।
 
বিলুপ্ত হওয়া স্তন্যপায়ী প্রাণীরা হলো- ডোরাকাটা হায়েনা, ধূসর নেকড়ে, নীলগাই, বনগরু, বনমহিষ, সুমাত্রা গণ্ডার, জাভা গণ্ডার, ভারতীয় গণ্ডার, জলার হরিণ, কৃষ্ণ ষাঁড় ও মন্থর ভালুক। পাখির মধ্যে রয়েছে লালমুখ দাগিডানা, সারস, ধূসর মেটে তিতির, বাদা তিতির, বাদি হাঁস, গোলাপি হাঁস, মদনটাক, ধলাপেট বগ, সাদাফোঁটা গগন রেড, রাজশকুন, দাগিবুক টিয়াঠুঁটি, লালমাথা টিয়াঠুঁটি, গাছ আঁচড়া, সবুজ ময়ূর। সরীসৃপের মধ্যে মিঠা পানির কুমির বিলুপ্ত হয়েছে। 
  
আমরা বন্যপ্রাণী হত্যা করেই ক্ষান্ত হই না, এসব হত্যা করে ছবি তুলে সগৌরবে সামাজিক যোগাযোগ সাইটগুলোয় প্রকাশ করি। এই অবস্থায় বন্যপ্রাণী হত্যা ঠেকাতে আমাদের সচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন। প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য টিকিয়ে রাখতে হলে বন্যপ্রাণীর বিলুপ্তি ঠেকাতে হবে। এর অর্থনৈতিক গুরুত্ব সামনে আনতে হবে। অনেক বন্যপ্রাণী নিয়ে আমাদের সমাজে ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে, সেসব ধারণা ভাঙতে হবে। যেমন আমরা মেছো বিড়ালকে বাঘ মনে করি। শুধু মেছো বিড়ালকে বাঘ মনে করার কারণেই অনেক মেছো বিড়াল হত্যার শিকার হয়।

 সম্প্রতি পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বন অধিদপ্তরে বিশ্ব মেছো বিড়াল দিবস উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, সব বিপন্ন প্রাণী রক্ষায় নিষ্ঠুরতা বন্ধ করতে হবে। এসবের হত্যা চলতে থাকলে বিলুপ্তির ঝুঁকি বাড়বে। তাই জনসচেতনতা বাড়াতে হবে। এ ছাড়া শুধু আইন প্রণয়ন করলেই চলবে না। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন ২০১২ অনুযায়ী আইনের সঠিক প্রয়োগ করতে হবে। আইন সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে হবে। বিশেষ করে স্থানীয় জনগণের মধ্যে সচেতনতামূলক পোস্টার, ব্যানার ইত্যাদির মাধ্যমে প্রচারণা চালানো যেতে পারে। গ্রামের শিক্ষিত তরুণদের এ-সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ দেওয়া যেতে পারে। এ ছাড়া গণ্যমান্য বয়স্ক ব্যক্তিদেরও এতে সম্পৃক্ত করা যেতে পারে।  

লেখক: শিক্ষক ও গবেষক

 https://www.khaborerkagoj.com/opinion/853899

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

পরিবেশ সেন্টমার্টিন রক্ষায় বিকল্প কর্মসংস্থান ড. বিভূতি ভূষণ মিত্র

  পরিবেশ সেন্টমার্টিন রক্ষায় বিকল্প কর্মসংস্থান ড. বিভূতি ভূষণ মিত্র প্রকাশ : ০৯ মে ২০২৫ ১৬:১২ পিএম ড. বিভূতি ভূষণ মিত্র বাংলাদেশের একমাত্র প্রবালদ্বীপের নাম সেন্টমার্টিন। এটি নারিকেল জিঞ্জিরা নামেও পরিচিত। কক্সবাজার শহর থেকে ১২০ কিলোমিটার দূরে এর অবস্থিত। দ্বীপটিতে প্রায় ১০ হাজার মানুষ বসবাস করে। এখানে রয়েছে ১ হাজারের মতো ঘর। ধারণা করা হয়, ৩০০ বছর আগে থেকে এখানে মানুষ বসবাস করছে। বসবাসরত অধিকাংশ মানুষের পেশা মাছ ধরা। এরা কোরাল সংগ্রহও করে। এখানে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ, শামুক, কাঁকড়া, পাখি, সরীসৃপ ও স্তন্যপায়ী বসবাস করে। জানা গেছে, সেন্টমার্টিনে ২৩৪ প্রজাতির মাছ, ৬৬ প্রজাতির কোরাল, ১৮৭ প্রজাতির শামুক জাতীয় প্রাণী, ৭ প্রজাতির কাঁকড়া, ১২০ প্রজাতির পাখি, ২৯ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী, ২৯ প্রজাতির সরীসৃপ, ১৪ প্রজাতির শৈবাল রয়েছে। বিশ্বের অন্যান্য দ্বীপের জীববৈচিত্র্যের তুলনায় এটি নানান কারণে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যের অধিকারী। এজন্য এর আলাদা বৈজ্ঞানিক মূল্যও অনেক বেশি। ২০২২ সালে সরকার এজন্য একে সংরক্ষিত এলাকা হিসেবে ঘোষণা করে। কিন্তু বিভিন্ন কারণে দ্বীপটির জীববৈচিত্র্য আজ হুমকির সম্মুখীন। ২০...

হাতি সংরক্ষণ প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা

হাতি সংরক্ষণ প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ড. বিভূতিভূষণ মিত্র প্রকাশ : ০৯ নভেম্বর ২০২৪ ০৯:১৭ এএম ড. বিভূতিভূষণ মিত্র বাংলাদেশে বসবাসরত হাতির নাম এশিয়ান এলিফ্যান্ট। এ হাতি খুব কম দেশেই দেখা যায়। বিশ্বের ১৩ দেশে এর বিচরণ। আইইউসিএনের মতে বাংলাদেশে তিন ধরনের হাতি রয়েছে। এগুলো হলো তাদের নিজস্ব আবাসস্থলে বসবাসরত হাতি, পরিব্রাজনকারী হাতি ও পোষ মানা হাতি। বন্য প্রাণীবিদদের মতে ১৯৫০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে এসব হাতির সংখ্যা ছিল প্রায় ৫০০। একটি তথ্যমতে বাংলাদেশে আবাসস্থলে বসবাসরত হাতির সংখ্যা ২৬৮, পরিব্রাজনকারী হাতি ৯৩ আর পোষ মানা হাতি ৯৬টি। ২০১৯ সালের একটি তথ্যানুযায়ী বাংলাদেশে হাতির সংখ্যা ছিল সে সময় ২৬৩টি। সাম্প্রতিক এক গবেষণা জরিপমতে বাংলাদেশে বর্তমান হাতির সংখ্যা ২২৮ থেকে ৩২৭। মূলত চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে হাতি দেখা যায় বেশি। মানুষ ও হাতির দ্বন্দ্বটা বেশি দেখা যায় সেখানেই। তবে শেরপুর, জামালপুর ও ময়মনসিংহের বিভিন্ন জায়গায়ও হাতি দেখা যায়। বন বিভাগের তথ্যমতে ২০০৪ সাল থেকে ১৭ বছরে ১১৮টি হাতি হত্যা করা হয়। আইইউসিএনের ২০২১ সালের তথ্যমতে বাংলাদেশে গত ১৭ বছরে ৯০টি হাতি হত্যা করা হয়েছে। প্রতি বছর শ্রীলঙ...

বন, বনভোজন ও পর্যটন শিল্প ড. বিভূতি ভূষণ মিত্র

 বন, বনভোজন ও পর্যটন শিল্প ড. বিভূতি ভূষণ মিত্র  আপডেট : ২৫ নভেম্বর ২০২৪, ১০:০৯ এএম|প্রিন্ট সংস্করণ পৃথিবীর অনেক দেশেরই বৈদেশিক অর্থ উপার্জনের অন্যতম মাধ্যম পর্যটন শিল্প। এটি এখন পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তম শিল্প হিসেবে স্বীকৃত। কেননা একই সঙ্গে পৃথিবীতে যেমন পর্যটকের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে, তেমনি এর ফলে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও অবকাঠামো উন্নয়নও সাধিত হচ্ছে। এর ফলে দেশের জিডিপি বৃদ্ধি পাচ্ছে। ১৯৫০ সালে পৃথিবীতে পর্যটকের সংখ্যা যেখানে ছিল ২৫ মিলিয়ন, তা ২০১৬ সালে এসে দাঁড়িয়েছে ৫৬ লাখ ৬০ হাজারে। আর ২০১৭ সালেই জিডিপিতে পর্যটন শিল্পের অবদান ছিল ১০.৪ ভাগ। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেই এমন অবদান দেখানো যাবে। ২০১৭ সালে বাংলাদেশের জিডিপিতে পর্যটন শিল্পের অবদান ছিল ৮৫০.৭ বিলিয়ন টাকা। পর্যটকদের সংখ্যাও অনেক ছিল। বাংলাদেশে ২০১৭ সালে বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা ছিল প্রায় পাঁচ লাখ। আর দেশীয় পর্যটকের সংখ্যা যোগ করলে এর সংখ্যা প্রায় চার কোটির কাছাকাছি চলে যাবে। এর ফলে এ খাতে বিনিয়োগ সৃষ্টি হয়েছে। কর্মসংস্থানও সৃষ্টি হয়েছে অনেক। ২০১৭ সালের হিসাবমতে, পর্যটন খাতে কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে ২৪ লাখ ৩২ হাজার আর বিনিয়োগ হয়েছে ৪৩...